দেশের সার্বিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অবদান ৭৮ শতাংশ

img

বিজটেক২৪ ডটকম
ঢাকা: বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অবদান ৭৮ শতাংশ। তাই এ খাতকে বাদ দিয়ে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব না। জিপি হাউজে আয়োজিত এক প্যানেল আলোচনায় এমনটি জানান বক্তরা। 

​'পার্টনারিং ফর রিডিউসড ইনইকুয়্যালিটিস: হাও বিজনেস ক্যান কন্ট্রিবিউট টু দ্য ইউএন এসজিডি' শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তারা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়ন ও তাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহনের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। আলোচনায় অংশগ্রহন করেন সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা। যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে গ্রামীণফোন লিমিটেড এবং টেলিনর গ্রুপ। 

আলোচনায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট অ্যাডভাইজর ও এসজিডি লিড ফখরুল আহসান, ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও কোঅর্ডিনেটর থমাস জর্জ, ফরেন ইনভেসটর্স চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাসট্রিজ (এফআইসিসিআই) এর প্রেসিডেন্ট রূপালি চৌধুরী, অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম এর পলিসি অ্যাডভাইজর অনির চৌধুরী, ডি-নেট বাংলাদেশ এর সিইও ড: অনন্য রায়হান, ব্র্যাক ও ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল এর স্ট্র্যাটেজি, কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট এর সিনিয়র ডিরেক্টর আসিফ সালেহ এবং গ্রামীণফোন এর সিইও মাইকেল ফোলি। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন টেলিনর গ্রুপ এর গ্রুপ সাসটেইনাবিলিটি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওলা ইয়ো টান্দ্রে।

এসময় ইউএনডিপি বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট অ্যাডভাইজর ও এসজিডি লিড ফখরুল আহসান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অবদান ৭৮ শতাংশ। আর তাই এ খাতকে বাদ দিয়ে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব না। ইউএনডিপি সরকারি ও বেসরকারি খাতকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছে, ফলে উভয় খাত নিজেদের চাহিদাগুলো নিয়ে আলোচনা করে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সে অনুযায়ী নীতি নির্ধারণ করতে পারবে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও কোঅর্ডিনেটর থমাস জর্জ বলেন, সমান্তরাল গতিতে বাংলাদেশের সকল এলাকা এগোতে পারছে না, আর তাই স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী এসডিজির কর্মকান্ড  পরিচালনা করা উচিৎ। 
  
ফরেন ইনভেসটর্স চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাসট্রিজ (এফআইসিসিআই) এর প্রেসিডেন্ট রূপালি চৌধুরী বলেন, এফডিআই-এর পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি করার মধ্য দিয়েই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। আমাদের অসংখ্য সফলতার গল্প রয়েছে যেগুলো স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সবার সামনে তুলে ধরতে হবে, যাতে করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ তৈরি হয়।

গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের মানুষ ও উদ্যোক্তাদের জন্য আমাদের সুযোগ তৈরি করতে হবে। যাতে করে তারা বাজারের নতুন বাস্তবতার সম্মুখিন হতে পারে। যদি মানুষের কাজ না থাকে তাহলে বড় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানেরও কোন কাজ থাকবে না। 



-->

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

জব